অনুসরণ করুন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
Google Play App Store
অন্যান্য উদ্যোগ
ট্রেন্ডিং

ট্রাইব্যুনাল থেকে সেনানিবাসের সাবজেলে ১৫ সেনা কর্মকর্তা কারোর হাতে নেই হাতকড়া!

ফন্ট সাইজ:
Shares

আওয়ামী লীগ শাসনামলে গুম, নির্যাতন ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত অপরাধের তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগার থেকে ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে স্থানান্তর করা হয়েছে। আসামীদের কারোর হাতেই ছিলো না হাতকড়া, দেখে মনে হতে পারে তারা ট্রাইবুন্যাল পরিদর্শণে এসেছেন।

বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এই ১৫ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন জানান, তাদের সেনানিবাসে স্থাপিত কারা অধিদফতরের সাবজেলে রাখা হবে।

আজ সকাল ৭টার পর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজন ভ্যানে করে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এর আগে ১২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোডসংলগ্ন ‘এমইএস বিল্ডিং নম্বর–৫৪’ সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। দুই দিন পর, ১৪ অক্টোবর, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

এছাড়া ১১ অক্টোবর সেনাবাহিনীর এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অভিযুক্ত ১৫ কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে; তাদের মধ্যে একজন অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) আছেন।

কারাগারে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন—
মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন; ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম; ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার; ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান; ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম; ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী; ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী; ব্রিগেডিয়ার কে. এম. আজাদ; কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন; কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (এলপিআর); লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান; লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন; লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম; লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম এবং মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top