মামলায় উপজেলার জাদুকাটা নদী তীরবর্তী ঘাগটিয়ার আবু লাহাব, আবু তালিব, ইকবাল, আবুবক্কর, লাউরগড়ের খাজা মাইনুদ্দীন, বালিয়াঘাটের সাদ্দাম, তরং গ্রামের নজির, ঘাগটিয়ার তাওহিদ, সয়দুল, রিমন, সুলেমান, সাহেদ, মনর, মাসুক, সুলতান, আল আমিন, রাহিদুর, রুমান, মাহমুদ, সাহজ উদ্দিন, সামসু আলম, আকারদস, রমিজ, খাইরুলসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ২০০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসের মিউটেশন কাম-সার্টিফিকেট সহকারী বাদী হয়ে অবৈধভাবে জাদুকাটা নদীর পাড় (তীর) কেটে নদী ভাঙন, নদী ভূ-প্রকুতি পরিবেশ বিনষ্ট, নদীর পানি প্রবাহের স্বাভাবিক গতিপথ রোধ, পরিবর্তন করে, বেআইনি জনতাবদ্ধে অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানা ও নৌপুলিশ সদস্যদের ওপর পাথর-বোল্ডার ছুড়ে হামলা, হুমকি প্রদানপূর্বক ৫ লাখ টাকার খনিজ বালি চুরির অভিযোগ মামলাটি দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৮ নভেম্বর) দিবাগত রাতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী তীরবর্তী পশ্চিম তীরের ঘাগটিয়া গ্রামের জালোর টেক এলাকায় জাদুকাটা নদীর পাড় কেটে খনিজ বালি চুরি ঠেকাতে যান সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হাসান। এ সময় খনিজ বালি চুরির সঙ্গে জড়িতরা ‘মব’ সৃষ্টি করে পুলিশ, নৌপুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর, বোল্ডার ছুড়তে থাকে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।