অনুসরণ করুন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
Google Play App Store
অন্যান্য উদ্যোগ
ট্রেন্ডিং

জাতিসংঘে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতি নিয়ে বিতর্ক

গাজা যুদ্ধ বিরতিতে রাজি নেতানিয়াহু
ফন্ট সাইজ:
Shares

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের চলতি অধিবেশনে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি বিষয়ক আলোচনা ছিলো মুখ্য বিষয়।মঙ্গলবার শুরু হওয়া সাধারণ বিতর্কে বিশ্ব নেতারা একে একে এ বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করছেন।

গাজায় ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান এবং পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রেক্ষাপটে বিশ্বের নানা দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে।
বর্তমানে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের মধ্যে প্রায় ১৫০টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে,
যাদের মধ্যে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর সংখ্যাই বেশি।

তবে এ পদক্ষেপের বিরোধিতা করছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু
তারা সাধারণ পরিষদে এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে সফরকালে ট্রাম্প বলেন, “আমার এখন একটাই চাওয়া জিম্মিদের মুক্তি। এক বা দুইজন নয়, সবাইকে। ৭ অক্টোবরের সেই বিভীষিকাময় দিন আমাদের মনে রাখতে হবে।”
তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমারের ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতির পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।

স্টারমার যদিও বলেন, “শান্তি ও দ্বি রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত,”
এবং তিনি ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ ও পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের তীব্র সমালোচনা করেন।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট একে “প্রতীকী ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত” বলে আখ্যায়িত করেছেন,
যা দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি ফ্রান্সের প্রতিশ্রুতি বহন করে।

অন্যদিকে ইসরায়েল এই স্বীকৃতিকে ‘হামাসকে পুরস্কৃত করা’ হিসেবে দেখছে।
জাতিসংঘে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন বলেন, “এটি বাস্তবতাকে অস্বীকার করে দেওয়া খালি ঘোষণা।”

জার্মানি যদিও গাজার চলমান হামলাকে ভুল বলেছে, তবুও তারা এখনই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতির পক্ষে নয়।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “স্বীকৃতি আলোচনার প্রক্রিয়ার শেষে আসা উচিত।”

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৪২ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পশ্চিম তীর ও গাজায় একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।
কিন্তু পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদার বসতির কারণে সেই সম্ভাবনা এখন অনেকটাই ক্ষীণ।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার বেড়ে গেছে,
হাজার হাজার মানুষ আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
ইতোমধ্যে প্রায় ৪ লাখ মানুষ গাজা সিটি ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

এমন বাস্তবতায়, জাতিসংঘের স্বাধীন কমিশন এবং আন্তর্জাতিক গণহত্যা বিশেষজ্ঞদের একটি সংগঠন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ তুলেছে।
ইসরায়েল এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, জাতিসংঘের প্রতিবেদন “বিকৃত ও মিথ্যা”।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top