শান্তিচুক্তির ঘোষণা হওয়ার পর কাসিম আজ শুক্রবার জানান, ইসরাইল বন্দি তালিকা এবং গাজা থেকে প্রত্যাহার সম্পর্কিত ধারাগুলো কাজে লাগাতে চাচ্ছে, কিন্তু এ বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে চলছে।
এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ইরানভিত্তিক মেহর নিউজ।
তিনি উল্লেখ করেছেন, মূল বিষয় হলো বন্দিদের বিনিময়ের জন্য মাঠে উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করা।
কাসিম বলেন, ‘শান্তিচুক্তি মানে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর যুদ্ধে অবসান।’
এদিকে, হামাস সকালে এক সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিশরীয় শহর শার্ম এল-শেখে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানো হয়েছে।
হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার সূত্রপাত হয় সোমবার, মিশর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায়। আলোচনার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ ধারার শান্তিচুক্তি প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা।
শান্তিচুক্তির ঘোষণার পর স্থানীয় সময় দুপুরে আরব ও ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে শান্তিচুক্তির প্রথম ধাপ কার্যকর হতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে ইসরাইলি মন্ত্রিসভা এটি অনুমোদনও হয়েছে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।