X-এ একটি পোস্টে, কাটজ বলেছেন যে সমস্ত জিম্মিদের মুক্তির মাধ্যমে চুক্তির প্রথম পর্যায় শেষ হলে, ইসরায়েল হামাসকে ধ্বংস করার জন্য তাদের অভিযান পুনরায় শুরু করবে।
কাটজ বলেন, “জিম্মিদের ফিরিয়ে দেওয়ার পর ইসরায়েলের বড় চ্যালেঞ্জ হবে সরাসরি IDF দ্বারা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এবং তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাজায় হামাসের সমস্ত সন্ত্রাসী সুড়ঙ্গ ধ্বংস করা”।
“গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ এবং হামাসকে তার অস্ত্র নিরপেক্ষ করার সম্মত নীতি বাস্তবায়নের এটিই প্রাথমিক তাৎপর্য।
আমি IDF-কে মিশন সম্পাদনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।”
কাতার, মিশর এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল এবং হামাস একটি যুদ্ধবিরতি কাঠামোতে সম্মত হওয়ার একদিনেরও কম সময়ের মধ্যে এই বিবৃতি এসেছে কাটজের।
চুক্তি সত্ত্বেও, কাটজের মন্তব্যেই স্পষ্ট, ইসরায়েল এই যুদ্ধবিরতিকে গাজা উপত্যকায় সামরিক আক্রমণ বন্ধ করার পদক্ষেপ হিসেবে নয় বরং সামরিক আক্রমণ পুনরায় শুরু করার আগে একটি ” অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ” হিসেবে দেখে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে নতুন অভিযানের প্রস্তুতির জন্য কাটজের এমন প্রকাশ্য নির্দেশ যুদ্ধবিরতি চুক্তির আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করে পুনরায় বৃহৎ আকারের আক্রমণ শুরুর আকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিত দেয়।
ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ইতিমধ্যেই ৬৭,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিয়ত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় দুই মিলিয়ন। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার গণহত্যার মামলার শুনানি অব্যাহত রেখেছে, যেখানে বেসামরিক নাগরিকদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা, অনাহার এবং গাজার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার প্রমাণ উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।