আজ (বুধবার) ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা এবং কমিটির র্যাঙ্কিং সদস্য রবার্ট গার্সিয়া, জেফ্রি এপস্টাইনের এস্টেট থেকে প্রাপ্ত নতুন একাধিক ইমেল প্রকাশ করেছেন যা হোয়াইট হাউসের সম্ভাব্য গোপনীয়তার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন প্রকাশিত ইমেলগুলিতে দেখা গেছে, ২০১১ সালে ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েলকে লেখা এক চিঠিতে এপস্টাইন উল্লেখ করেছেন যে তৎকালীন ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প “যৌন পাচারের শিকার এক তরুণীর সঙ্গে আমার বাড়িতে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়েছেন।”
সেই একই চিঠিতে এপস্টাইন ট্রাম্পকে “ঘেউ ঘেউ না করা কুকুর” হিসেবে বর্ণনা করেন অর্থাৎ এমন কেউ, যিনি এপস্টাইনের কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতেন, কিন্তু কিছু প্রকাশ করেননি।
২০১৯ সালে লেখক মাইকেল উলফের সঙ্গে আরেকটি ইমেলে এপস্টাইন সরাসরি দাবি করেন,
“ট্রাম্প জানতেন মেয়েদের বিষয়ে, যখন তিনি ঘিসলাইনকে থামতে বলেছিলেন।”
২০১৫ সালের একটি ইমেলে উলফ ও এপস্টাইন কথোপকথনে ট্রাম্পের সিএনএন সাক্ষাৎকারের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানে উলফ লেখেন, “যদি তিনি বলেন যে তিনি বিমানে বা বাড়িতে কখনও যাননি, তাহলে এটা আপনার জন্য জনসংযোগ ও রাজনৈতিকভাবে লাভজনক হবে।”
ওভারসাইট ডেমোক্র্যাটদের মতে, এপস্টাইন এস্টেট ইতিমধ্যেই ২৩,০০০-রও বেশি নথি কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছে, যা বর্তমানে কংগ্রেসনাল তদন্তকারীরা পর্যালোচনা করছেন।
র্যাঙ্কিং সদস্য রবার্ট গার্সিয়া বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্প যত বেশি এপস্টাইনের ফাইলগুলি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করবেন, ততই সত্য প্রকাশ পাবে। এই সাম্প্রতিক ইমেল ও চিঠিপত্র হোয়াইট হাউস আসলে কী গোপন করছে এবং এপস্টাইন ও ট্রাম্পের সম্পর্কের প্রকৃত কী ছিল সে সম্পর্কে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “বিচার বিভাগকে অবিলম্বে জনসাধারণের কাছে সমস্ত এপস্টাইন ফাইল প্রকাশ করতে হবে। তদারকি কমিটি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত থামবে না।”
তিনটি ইমেল পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
সূত্রঃ পলিটিকো
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।