(২০ অক্টোবর ২০২৫) সোমবার দক্ষিন কোরিয়া বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা এবং সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। প্রতিবন্ধী শরণার্থীদের অন্তর্ভুক্তি এবং সুরক্ষা প্রচেষ্টা জোরদার করার জন্য ৫ মিলিয়ন (লাখ) মার্কিন ডলারের অবদানের পাশাপাশি রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।
বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইজেন বলেন, “কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের এই উদার অবদান এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসেছে, যখন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের চাহিদা এবং দুর্বলতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে প্রতিবন্ধীদের জন্য”।
২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার থেকে তাদের বিশাল আকারে দেশত্যাগের আট বছর পর, কক্সবাজার এবং ভাসান চরে ১.১৬
মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী তাদের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে মানবিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল।
২০২৪ সালের শুরু থেকে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ফলে আরও ১,৫০,০০০ শরণার্থী পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

বাংলাদেশে কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক বলেন, “এবছর, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য চলমান রয়েছে কোরিয়ার মানবিক সহায়তা। মোট ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অবদান এবং দ্বিতীয়বারের মতো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চালের অনুদান দিয়েছে কোরিয়া”।
কোরিয়ার এই অবদান প্রতিবন্ধী শরণার্থীদের প্রাথমিক সনাক্তকরণ, পুনর্বাসন এবং সহায়ক সরঞ্জাম সরবরাহ, মানসিক স্বাস্থ্য, গোসলখানা এবং শৌচাগারের মতো সুবিধা বিনির্মাণে সহায়তা করবে।
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ শরণার্থীদের পরিষ্কার রান্নার জ্বালানিতে অ্যাক্সেস বজায় রাখতে, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য নিশ্চিতে সহায়তা করবে।
রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের আট বছর পরও, কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ শিবির এবং ভাসানচর দ্বীপে বসবাস করছে ১.১৬ মিলিয়ন রোহিঙ্গা শরণার্থী, যারা ।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।