সেন্ট জেমস পার্কে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বার্সেলোনা দারুণ সূচনা করেছে, আর ম্যাচের নায়ক ছিলেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড মার্কাস র্যাশফোর্ড।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে এক বছরের লোনে আসা র্যাশফোর্ড দ্বিতীয়ার্ধে দুইটি চোখধাঁধানো গোল করে নিউক্যাসলের রক্ষণভাগে তাণ্ডব চালান।
ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে জুলস কাউন্ডের ক্রস থেকে মাথা ছুঁইয়ে দুর্দান্ত এক হেডে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন এই ইংলিশ তারকা।
মাত্র ৯ মিনিট পর আবারও গোল করেন তিনি এবার ২০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক ড্রাইভে নিক পোপকে পরাস্ত করেন, যা তার প্রায় চার বছরের মধ্যে প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গোল।
ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন ইংল্যান্ড জাতীয় দলের কোচ থমাস টুখেল,
আর র্যাশফোর্ড ঠিক সময়েই দেখালেন কেন তিনি এখনও ইংল্যান্ডের মূল আক্রমণভাগে বিবেচিত হতে পারেন।
র্যাশফোর্ডের পারফরম্যান্স আরও নজরকাড়া হয়ে ওঠে কারণ তিনি খেলেছেন বার্সার গুরুত্বপূর্ণ কিশোর তারকা লামিন ইয়ামালের অনুপস্থিতিতে। এর আগেও অ্যাস্টন ভিলার হয়ে ধারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা র্যাশফোর্ড এবার বার্সার আক্রমণভাগে পরিপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
নিউক্যাসলের কোচ এডি হাওয়ে কিছুটা চমক দিয়েই শুরু করেন, নতুন ৬৯ মিলিয়ন পাউন্ডের স্ট্রাইকার নিক ওল্টেমেডকে বেঞ্চে রেখে অ্যান্থনি গর্ডনকে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে মাঠে নামান।
তবে বার্সার আক্রমণের সামনে গর্ডনের প্রভাব ফেলতে বেগ পেতে হয়।
ম্যাচের শেষ দিকে, মাত্র দশ মিনিট বাকি থাকতে র্যাশফোর্ডকে বদলি হিসেবে তুলে নিলে বার্সেলোনা সমর্থকেরা দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানান যা তার পারফরম্যান্সের যোগ্য স্বীকৃতি।
অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে গর্ডনের একটি গোল নিউক্যাসলের জন্য আশার আলো জাগালেও, শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনার রক্ষণভাগ দৃঢ়তা দেখিয়ে জয় নিশ্চিত করে।
নিউক্যাসল ইউনাইটেড ১–২ বার্সেলোনা
(গোলদাতা: গর্ডন ৯০+১’ / র্যাশফোর্ড ৫৮’, ৬৭’)
ইসরায়েল খেললে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি স্পেনের
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।