অনুসরণ করুন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
Google Play App Store
অন্যান্য উদ্যোগ
ট্রেন্ডিং

৭,৫০০ শরণার্থী নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গদের অগ্রাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
ফন্ট সাইজ:
Shares

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৬ অর্থবছরের জন্য রেকর্ড সর্বনিম্ন ৭ হাজার ৫০০ শরণার্থী নেওয়ার সীমা বেঁধে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে হোয়াইট হাউজের প্রকাশিত এক নথিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বব্যাপী শরণার্থী নীতি পুনর্গঠনে বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসাবেই নেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। এর আওতায় দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গরাই শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অগ্রাধিকার পাবে।

কারণ ট্রাম্পের অভিযোগ, কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ট্রাম্পের নতুন শরণার্থী নীতির ফলে বিশ্বের বাস্তুচ্যুত বহু মানুষ এবং অশ্বেতাঙ্গদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দ্বার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর বার্ষিক শরণার্থী গ্রহণ নীতি নির্ধারণের সময়ই ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, শরণার্থী নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ জাতিগত সংখ্যালঘুদের।

এরপর তিনি আফ্রিকান শ্বেতাঙ্গদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনার পরও সেপ্টেম্বরের শুরু নাগাদ ১৩৮ জন দক্ষিণ আফ্রিকান শ্বেতাঙ্গ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে।

ট্রাম্প গত জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে কেবল তখনই শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া হবে, যখন তা দেশের সর্বোত্তম স্বার্থ হবে।”

এ ঘোষণার কয়েক সপ্তাহ পরই শ্বেতাঙ্গ আফ্রিকানদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার চেষ্টা শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প তার নতুন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে বলেন, প্রশাসন এমন ব্যক্তিদের আনার কথা ভাববে যারা নিজ দেশে অবৈধ বা অন্যায় বৈষম্যের শিকার।

যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন অবশ্য ইউরোপীয় নাগরিকদের মধ্য থেকেও কিছু মানুষকে শরণার্থী হিসেবে অগ্রাধিকার দিতে পারে বলে অভ্যন্তরীন সরকারি নথিতে উল্লেখ আছে।

তবে শর্ত হচ্ছে, যদি এই শরণার্থীরা অভিবাসনবিরোধী মত বা জনতাবাদী রাজনৈতিক দলগুলোকে সমর্থনের কারণে নিজ দেশে নিপীড়নের নিশানা হন তাহলেই তারা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় পাবেন।

তবে ট্রাম্পের ঘোষণায় ইউরোপীয় বা অন্যান্য কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে শরণার্থী সীমা নির্ধারণের আগে কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হয়। কিন্তু ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্যরা জানিয়েছেন, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এমন কোনও বৈঠক হয়নি।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রতিনিধি জেমি রাসকিন, মার্কিন সিনেটর ডিক ডারবিন এবং অন্যান্য ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতারা বলেছেন, ট্রাম্পের সর্বনিম্ন শরণার্থী নেওয়ার সংখ্যা বেঁধে দেওয়াটা ভুলভাবে নেওয়া সিদ্ধান্ত এবং অবৈধ ও অকার্যকর।

মোদিকে ঘাতক বললেন ট্রাম্প

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top